কমানো শুল্ক হারে ১৭ লক্ষ টন চাল আমদানির অনুমতি

0

সোমবার ছিল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য হ্রাসকৃত হারে চাল আমদানির অনুমতি পাওয়ার শেষ দিন। একই দিনে খাদ্য মন্ত্রণালয় ৭৯ টি কোম্পানিকে আরও ১ লাখ ১ হাজার মেট্রিক টন সিদ্ধ ও রোদে শুকনো চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এর মাধ্যমে, সরকার ৪২৮ টি কোম্পানিকে ১৭ লাখ ২ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়।

সোমবার, খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে কোম্পানির অনুকূলে আমদানির জন্য বরাদ্দ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চাল আমদানির শর্ত হলো আমদানিকৃত চালের সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ভাঙা শস্য থাকতে পারে। এলসি (ক্রেডিট-ঋণ পত্র) বরাদ্দ আদেশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে খুলতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য (বিল অব এন্ট্রি সহ) ই-মেইলের মাধ্যমে অবিলম্বে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।

বরাদ্দকৃত আমদানিকারকদের ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে সম্পূর্ণ চাল বাজারজাত করতে হবে। অতিরিক্ত আইপি (আমদানি পারমিট) দেওয়া / জারি করা যাবে না। মালিকের নামে আমদানিকৃত চাল পুনরায় প্যাকেজ করা যাবে না। এছাড়া প্লাস্টিকের ব্যাগে আমদানি করা চাল বিক্রি করতে হবে। যদি ব্যাংক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এলসি খুলতে ব্যর্থ হয়, তবে বরাদ্দ বাতিল করা হবে।

গত ১২ আগস্ট, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চালের আমদানি শুল্ক কমাতে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। চালের আমদানি শুল্ক ৬২.৫% থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই সুবিধা ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। আমদানিকৃত চাল ইতিমধ্যেই স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *